ওয়ার্ক প্লেস মেন্টাল হেলথ কেয়ার এটি একটি স্ক্যাম। আমার এই দাবীর সপক্ষে যুক্তি দিই। ওয়ার্ক প্লেস স্ট্রেসের কারণগুলো দেখা যাক।
১. হেভি ওয়ার্ক লোড
২. সিনিয়রদের দুর্ব্যবহার
৩. লম্বা ওয়ার্কিং আওয়ার্স
৪. ঠিকঠাক ব্রেক না পাওয়া
৫. কাজের তুলনায় বেতন ঠিকঠাক না পাওয়া
৬. ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালান্স না থাকা

এইসকল সমস্যার সমাধান হিসাবে যা করা উচিৎ:
১. কাজ অনুপাতে কর্মী নিয়োগ দেওয়া
২. কাজ অনুপাতে বেতন দেওয়া
৩. ওয়ার্কিং আওয়ার্স খুব লম্বা না করা
৪. প্রপার ব্রেক দেওয়া

কিন্তু আমরা দেখি যে, কর্মস্থলে মেন্টাল হেলথ ওয়ার্কশপ করানো হয়, এবং এইসব সমস্যার ও সমাধানের দায় চাপানো হয় কর্মীদের উপরেই। নামমাত্র থেরাপিস্ট রাখা হয় অফিসে। কিন্তু থেরাপিস্ট তো আর কাজের পরিমাণ, সময় কিংবা মূল্য ধার্য করে না। সে বড়জোর কর্মীর কিছু কথা শুনবে আর দুটো ওষুধ লিখে দেবে, নাহলে জ্ঞান দেবে কীভাবে নিজেকে আরও বেশি করে অফিসের কাজে ডুবে রাখা যায়।

সমস্যার সঠিক উৎস জেনেও সে ব্যাপারে কিছু না করে অপ্রয়োজনীয় স্টেপ নেওয়া স্ক্যাম ছাড়া কিছুই নয়। কারণ এতে কর্মীদের মানসিক অবস্থার কোনো উন্নতি হয় না। বরং এই অকাজের ওয়ার্কশপ অ্যাটেন্ড করতে আরও সময় নষ্ট হয়, যেটা মানসিক চাপ বৃদ্ধি করতে পারে।